সার্চ করুন

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০

গায়ত্রী মন্ত্র যা কোন মানুষের রচিত নয়

  Admin       বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০

গায়ত্রী মন্ত্র হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী অন্য সব বৈদিক মন্ত্রের মতোই অপৌরষেও, এটি ঋগ্বেদের একটি সূক্ত। এই মন্ত্র এবং মন্ত্রের মাধ্যমে দেবী গায়ত্রীর পূজা করা হয়। যেহেতু এর মাধ্যমে সূর্য্যকে আবাহন করা হয় তাই এই মন্ত্রের আরেক নাম সাবিত্রী মন্ত্র। 

গায়ত্রী মন্ত্র দিয়ে যা বুঝায়

শুরুতেই বলা হয়-"ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ"। এই তিনটি শব্দ বেদে উল্লিখিত সাতটি জগতের মাঝে তিনটি জগতকে নির্দেশ করে। ধ্যানের ক্ষেত্রে আবার এর মাধ্যমে তিনটি অবস্থাকে বুঝানো হয়- চেতন, অর্ধচেতন এবং অচেতন। একাধিক বৈদিক সাহিত্যে এর প্রশংসা করা হয়েছে। পুরো মন্ত্রটি হচ্ছে-
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ
তৎ সবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গো দেবস্য ধীমহি
ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ।।
দেবনাগরী লিপিতে না লিখে হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী পবিত্র মন্ত্রটি বাংলা অক্ষরে লিখলাম। উইলিয়াম জোন্স নামে একজন ব্যক্তি ১৮০৭ সালে এই মন্ত্রটি অনুবাদ করেন। তার অনুবাদটি হচ্ছে-
 "Let us adore the supremacy of that divine sun, the god-head who illuminates all, who recreates all, from whom all proceed, to whom all must return, whom we invoke to direct our understandings aright in our progress toward his holy seat."
স্বামী  বিবেকানন্দ(স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা শুনতে পারেন) মন্ত্রটির বাংলা অনুবাদ করেছিলেন-
"আমরা সেই মহতের উপাসনা করছি, যিনি এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা। তিনি যেন আমাদের আলোকপ্রাপ্তির পথে নিয়ে যান।"
গুপ্তযুগে এই মন্ত্রকে শুধু ব্রাহ্মণশ্রেণীর মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে সব শ্রেণীর মানুষেরা উচ্চারণের অধিকার প্রাপ্ত হয়। কর্মের মাধ্যমে দ্বিজত্ব অর্জন করা যায় আর দ্বিজরাই এটা উচ্চারণের যোগ্য বলে মনে করা হয়। 

তথ্যসূত্রঃ  
  1. উইকিপিডিয়া  
  2. এবেলা

logoblog

এই লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদঃ গায়ত্রী মন্ত্র যা কোন মানুষের রচিত নয়

পূর্বের পোস্ট
« Prev Post
পরের পোস্ট
Next Post »

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

লেখাটি যদি পড়ে থাকেন, তাহলে আপনার মন্তব্য প্রত্যাশা করছি। সমালোচনা, পরামর্শ কিংবা, প্রাসঙ্গিক যেকোন মত প্রকাশকে আমরা স্বাগত জানাই।